কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির কাউন্সিল: টাউন হল মাঠে নেতাকর্মীদের ঢল, নব উদ্দীপনায় ভরে উঠল রাজপথ
আবু ইউছুফ রাবেতঃ
কুমিল্লার ঐতিহাসিক টাউন হল মাঠ। চারপাশে মাইক, ব্যানার আর দলীয় স্লোগানে মুখরিত। ভোর থেকে জড়ো হতে থাকে নেতা-কর্মীরা। হাতে দলের পতাকা, মুখে ‘গণতন্ত্র মুক্ত করো’ স্লোগান। ধীরে ধীরে মাঠ পরিণত হয় মিলনমেলায়।
২৭ সেপ্টেম্বর শনিবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল শুধু একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং রূপ নেয় নেতা-কর্মীদের পুনর্মিলন আর ঐক্যের মহোৎসবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত হন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, “সংগঠনকে সুসংহত করাই এখন প্রধান কাজ। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনই হবে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াই।” তার বক্তব্যে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের চোখেমুখে ফুটে ওঠে আশার আলো।
কাউন্সিলের প্রধান বক্তা স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ দলীয় নীতিমালা ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন।
স্বাগত বক্তব্যে ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, “কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি সবসময় সংগ্রামের অগ্রভাগে ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে।”
মঞ্চে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন মনিরুল হক চৌধুরী, আমিনুর রশিদ ইয়াসিন, অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, আবুল কালাম ও মোস্তাক মিয়া।
কাউন্সিলে সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য জাকারিয়া তাহের সুমন। তিনি বলেন, “এই কাউন্সিল কেবল পদ-পদবি ভাগাভাগির আসর নয়—এটা আমাদের নতুন পথচলার অঙ্গীকার।”
সঞ্চালনায় ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আশিকুর রহমান মাহমুদ ডিপি ওয়াসিম।
সারা দিন টাউন হল মাঠ ছিল উৎসবের আবহে। দূর-দূরান্ত থেকে আগত কর্মীদের স্লোগান আর উচ্ছ্বাসে চারপাশ কেঁপে ওঠে। অনেকে বলছিলেন, “আজকের এই কাউন্সিল আমাদের মধ্যে নতুন প্রেরণা জাগিয়েছে।”
নেতারা তাঁদের বক্তব্যে শৃঙ্খলা, ঐক্য ও আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।