শিরোনাম:
বরুড়ায় আইএসইউ’র আয়োজনে এইচএসসি উত্তীর্ণদের সম্মাননা ও সাংস্কৃতিক আয়োজন বরুড়ায় জনকল্যাণ সমিতির উদ্যোগে বৃত্তি পরীক্ষা ও সাংস্কৃতিক উৎসব ৮৯৪ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ, ৩১১ জন পেল বৃত্তি বরুড়া উপজেলা প্রেস ক্লাবের আয়োজনে বিদায়ী সংবর্ধনা বরুড়ায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশনের আনন্দঘন মিলনমেলা ভালোবাসা ও সম্মানে বিদায়: ইউএনও নু-এমং মারমা মংকে সংবর্ধনা বরুড়ায় জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ উদযাপন প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণে খামারিদের সমৃদ্ধির আহ্বান বরুড়ায় কাদবা তলাগ্রাম তারিণী চরণ লাহা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়ন ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ২০২৫ অনুষ্ঠিত বরুড়ায় মরহুম আবু তাহের স্মৃতি ফাউন্ডেশন কর্তৃক বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান বরুড়ায় মোটরসাইকেল ও সিএনজি সংঘর্ষে অপু কর নিহত আইএসইউতে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো নবীনবরণ

প্রশ্ন করার জন্য সাংবাদিকের চাকরি যায়, এই বিচার কার কাছে দেব।

Barura Kantha / ৬৭৪৪ Time View
Update : সোমবার, ৫ মে, ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার:”প্রশ্ন করার জন্য সাংবাদিকের চাকরি যায়—এই দেশে আমরা বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালন করছি। এই বিচারের দায় কার? সরকার নাকি অন্য কারো?”—জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় এ প্রশ্ন তুলে ধরেন দৈনিক মানবজমিন-এর প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী।

রোববার (৪ মে) বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস-২০২৫ উপলক্ষে সম্পাদক পরিষদের আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সম্পাদক পরিষদের সভাপতি ও দ্য ডেইলি স্টার-এর সম্পাদক মাহফুজ আনাম এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক ও বণিক বার্তা-এর সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ।

মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, “গণমাধ্যম ছাড়া গণতন্ত্র চর্চা সম্ভব নয়। আমাদের কথা বলতে দিতে হবে, লিখতে দিতে হবে, প্রশ্ন করতে দিতে হবে। তাহলেই গণমাধ্যম মুক্তির স্বাদ পাবে।”

তিনি আরও বলেন, “যেখানে সাংবাদিকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে, চাকরি কেড়ে নিয়ে চুপ করিয়ে দেওয়া হয়, সেখানে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা কল্পনাতীত। অথচ সেই দেশেই আজ আমরা মুক্ত গণমাধ্যমের দিবস পালন করছি—এটাই সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি।”

অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্যে সম্পাদক পরিষদের সহসভাপতি ও নিউ এজ-এর সম্পাদক নুরুল কবির বলেন, “বিশ্বজুড়ে যখন মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালনের প্রয়োজন পড়ে, তখনই বোঝা যায়—মাধ্যমটি আসলে কতটা শৃঙ্খলিত। বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে অবস্থান এখনও নিচে। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রভাব এবং একচেটিয়া মালিকানা স্বাধীনতা খর্ব করছে।”

তিনি আরও বলেন, “যারা আজ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তারা অনেকেই ১৬ ডিসেম্বর মানেন না, নারী সংস্কার কমিশন মানেন না। এ দায় কে নেবে? সংস্কারের বটম লাইন হতে হবে—স্বাধীনতা ও ১৯৭১।”

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, “গণমাধ্যমকে একচেটিয়া মালিকানার কবল থেকে রক্ষা করতে নীতিমালা প্রয়োজন। তবে সেই নীতিমালা যেন গলা টিপে ধরার নীতিতে পরিণত না হয়। ভয়হীন সমাজ গড়তে চাই আমরা—যেখানে সাংবাদিকদের চাকরি যাবে না, মব অ্যাটাক হবে না, আর রাষ্ট্র নিরব দর্শক হবে না।”

প্রধান বার্তা:
এই অনুষ্ঠানে স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আজ হুমকির মুখে। প্রশ্ন করা অপরাধ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাংবাদিকদের কণ্ঠ রোধ করেই যদি রাষ্ট্র নিজেকে টিকিয়ে রাখতে চায়, তাহলে গণতন্ত্র কেবল শব্দ হিসেবেই থাকবে—চর্চা হিসেবে নয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর